FAO.org

Home > In Action > Projects > Improving food safety in Bangladesh > News and Events > Detail
Improving food safety in Bangladesh

খাদ্য ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে


22/12/2014

‘সকলের জন্য নিরাপদ খাদ্য আন্দোলন নিশ্চিত করতে হলে ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে’। আজ সোমবার নগরীর সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে ‘ভোক্তার পরিপ্রেক্ষিতে খাদ্য নিরাপত্তা’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এ মন্তব্য করেন। কর্মশালা আয়োজন করেন বাংলাদেশ ফুড সেফটি নেটওয়ার্ক (বিএফএসএন), কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। বক্তারা বলেন, দেশের মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন ও সোচ্চার। এ ধারাকে আরও জোরদার করার জন্য সকল স্তরের ভোক্তাদেরকে আরও বেশি সংগঠিত করতে হবে। যেকোনো পণ্য ও সেবা গ্রহণের পুর্বে দরদাম ও মান সম্পর্কে যাচাই করে কিনতে হবে। পণ্য ও সেবা গ্রহণেরর বিষয়ে গ্রাহকের পছন্দকে কোনোভাবেই যেন ব্যবসায়ীরা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশ্রিত পণ্য বিক্রিতে প্রভাবিত করতে না পারে সেজন্য আইনী প্রতিকার নিশ্চিত করা দরকার। অনুষ্ঠানে বক্তারা একতরফাভাবে ব্যবসায়ী সংঠগনগুলির প্রতি পৃষ্টপোষকতা পরিহার করে ভোক্তা সংগঠনগুলোর প্রতি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর দাবি জানান। সভায় নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ প্রণয়নের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানানো হয়। বিধিমালা প্রণয়নে ভোক্তা সংগঠনগুলির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে সাধারণ জনগণকে সচেতন করার জন্য তৃণমূল পর্যায়ে আরও বেশি সচেতনতা কর্মসূচি জোরদার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষামূলক কর্মসূচি বাড়ানো, পাঠ্যক্রমে নিরাপদ খাদ্য বিষয় অন্তভুক্তি, হোটেল রেস্তোরায় বাবুর্চিসহ পরিবেশনকারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান, কৃষক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ প্রদান, স্ট্রিট ফুড ভেন্ডারদের প্রশিক্ষণ প্রদান, টিভি স্পট, নাটক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মোবাইল এপস, এসএমএস দিয়ে নিরাপদ খাদ্য আইন বিষয়ে আরও বেশি সচেতনতা বাড়ানোর উপর সুপারিশ করা হয়। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্তি কমিশনার(রাজস্ব) খলিলুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ সফিউল আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক ডাঃ আলাউদ্দিন মজুমদার, চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডাঃ এম সরফরাজ খান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও এফএও ফুড সেফটি প্রোগামের সিনিয়র ন্যাশনাল এডভাইজার প্রফেসর ডাঃ শাহ মুনির হোসেন। আলোচনায় অংশনেন বিএমএ চট্টগ্রামের সাবেক সাধারন সম্পাদক ডাঃ একিউএম সিরাজুল ইসলাম, সনাক চট্টগ্রামের সভাপতি প্রকৌশলী দেুলয়ার মজুমদার, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্স্টিটিউট এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মনোরঞ্জন ধর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শাহীন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শিক্ষা বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারপার্সন কাউন্সিলর রেখা আলম চৌধুরী, কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট রেহেনা বেগম রানু, আঞ্জুমান আরা বেগম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের চট্টগ্রাম নগর সভানেত্রী ও কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, কাউন্সিল আফরোজা কালাম, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি সেতারা গফ্ফার চৌধুরী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির সাবেক সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ খান। ক্যাব বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছবেরীর সঞ্চালয়নায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস এম নাজের হোসাইন, ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানার পারু। কর্ম অধিবেশনে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এফএও ফুড সেফটি প্রোগামের চিফ টেকনিক্যাল এডভাইজার ডা. জন রাইডার, হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড এর দেশিয় প্রতিনিধি আতাউর রহমান মিল্টন, ক্যাব কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী আহমেদ একরাম উল্লাহ।